
অনেকদিন পর আজ স্কুলের কথা মনে পড়লো, যেখানে প্রায়ই শুনতে হতো এমন কথা- মাষ্টরে মারলে বেহেশতে যায়। কেনো যেনো সকল স্যার আমাদের এই অতি সহজ পথে বেহেশতে পাঠানোর জন্য তাদের জান মাল দিয়ে চেষ্টা করতেন। জান বলতে বোঝাতে চেয়েছি তার পেশী শক্তি আর মাল অর্থ এখানে তার হাতের মেহেদী রঙের নকশা করা বেত। তার পেশী শক্তি আর বেত এর সমুচিত ব্যবহারে প্রায়ই বেহেশতটা খুব স্পষ্ট নজরে চলে আসতো।
আজ প্রথম আলোতে এমন কিছু শিশুর কথা জানলাম যারা প্রায়ই তাদের চারুকলা শিক্ষকের কল্যাণে বেহেশত দেখে। ছবিতে চারুকলা স্যারের নকশার নৈপূণ্য দেখে যে কেউই মুগ্ধ হওয়ার কথা।
কবে আমাদের দেশের মানুষ গড়ার কারিগড়রা বুঝতে পারবেন, এভাবে শিশুদের অবাধে বেহেশত দেখিয়ে শুরুতেই তাদের সব সৃজনশীলতা আর অবুঝ মনগুলোকে গলা টিপে হত্যা করছেন তারা।
